Home » অক্ষর মনে রাখতে সমস্যা- ডিসলেক্সিয়া » মুক্তির উপায় কি নেই? অবশ্যই আছে। তবে এজন্য ব্যক্তি ও ক্ষেত্রভেদে ভিন্ন সমাধান। সঠিক শিক্ষণপদ্ধতির মাধ্যমে শিশু থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক- সবাইকেই ভালো করে পড়তে ও লিখতে শেখানো যাবে। বলিউডে আমির খান অভিনীত ‘তারে জামিন পার’ সিনেমাটিতে এই সমস্যার উপর ভিত্তি করে নির্মিত। সেখানে বেশ ফলপ্রসূ কিছু সমাধানের কথা বাতলে দেওয়া হয়েছে। যেমন একইসাথে শ্রবণোদ্দীপনার মাধ্যমে পড়া, যাতে করে ডিসলেক্সিক ব্যক্তি কী পড়ছে, তা কানেও শুনতে পায় এবং এটি বারবার করার পর শব্দগুলো তার কাছে আর অপরিচিত লাগে না। এই অনুশীলন চালু রাখার মাধ্যমে সমস্যাটি থেকে অনেকটাই বেরিয়ে আসা সম্ভব। এছাড়া প্রতিটি অক্ষর ও সংখ্যা বড় বড় করে একটি বর্গাকার ক্ষেত্রের মধ্যে বারবার লেখানো, যাতে করে তার কাছে এর আকৃতি ধরতে পারা সহজ হয়, অস্পষ্টতা কেটে যায়। শিশুদের ক্ষেত্রে শিক্ষক এবং বাবা-মায়ের ভূমিকা এখানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ শিক্ষণ প্রক্রিয়া তাদের দ্বারাই মূলত পরিচালিত হয়। তারা ডিসলেক্সিয়া সম্পর্কে সকল প্রকার অনুসন্ধান করে এর লক্ষণ, কারণ সচেতন হয়ে উপযুক্ত শিক্ষাদান পদ্ধতি প্রয়োগ করলে এই সমস্যা ধীরে ধীরে কেটে যাবে। আর প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে নিজেকে সচেতন হতে হবে এবং নিজের সবচেয়ে ভালো দক্ষতা বের করে আনতে হবে। এভাবেই ডিসলেক্সিয়া থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

মুক্তির উপায় কি নেই? অবশ্যই আছে। তবে এজন্য ব্যক্তি ও ক্ষেত্রভেদে ভিন্ন সমাধান। সঠিক শিক্ষণপদ্ধতির মাধ্যমে শিশু থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক- সবাইকেই ভালো করে পড়তে ও লিখতে শেখানো যাবে। বলিউডে আমির খান অভিনীত ‘তারে জামিন পার’ সিনেমাটিতে এই সমস্যার উপর ভিত্তি করে নির্মিত। সেখানে বেশ ফলপ্রসূ কিছু সমাধানের কথা বাতলে দেওয়া হয়েছে। যেমন একইসাথে শ্রবণোদ্দীপনার মাধ্যমে পড়া, যাতে করে ডিসলেক্সিক ব্যক্তি কী পড়ছে, তা কানেও শুনতে পায় এবং এটি বারবার করার পর শব্দগুলো তার কাছে আর অপরিচিত লাগে না। এই অনুশীলন চালু রাখার মাধ্যমে সমস্যাটি থেকে অনেকটাই বেরিয়ে আসা সম্ভব। এছাড়া প্রতিটি অক্ষর ও সংখ্যা বড় বড় করে একটি বর্গাকার ক্ষেত্রের মধ্যে বারবার লেখানো, যাতে করে তার কাছে এর আকৃতি ধরতে পারা সহজ হয়, অস্পষ্টতা কেটে যায়। শিশুদের ক্ষেত্রে শিক্ষক এবং বাবা-মায়ের ভূমিকা এখানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ শিক্ষণ প্রক্রিয়া তাদের দ্বারাই মূলত পরিচালিত হয়। তারা ডিসলেক্সিয়া সম্পর্কে সকল প্রকার অনুসন্ধান করে এর লক্ষণ, কারণ সচেতন হয়ে উপযুক্ত শিক্ষাদান পদ্ধতি প্রয়োগ করলে এই সমস্যা ধীরে ধীরে কেটে যাবে। আর প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে নিজেকে সচেতন হতে হবে এবং নিজের সবচেয়ে ভালো দক্ষতা বের করে আনতে হবে। এভাবেই ডিসলেক্সিয়া থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

অক্ষর মনে রাখতে সমস্যা- ডিসলেক্সিয়া

পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন: